পটুয়াখালীর মহিপুরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সংঘটিত হত্যা মামলার দুই পলাতক অভিযুক্ত মো. সালেক ও মো. ছারোয়ারকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৮। নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকার বিভিন্ন এলাকা থেকে গোয়েন্দা অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব-৮, সিপিসি-১, পটুয়াখালী ক্যাম্পের গোয়েন্দা নজরদারির অংশ হিসেবে ২৪ জুলাই নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন জুলকুড়ি উত্তরপাড়া এলাকা থেকে মো. সালেক (৪০)-কে এবং ২৫ জুলাই ঢাকার গুলশান থানাধীন আজাদ মসজিদ এলাকা থেকে মো. ছারোয়ার (৩৫)-কে গ্রেপ্তার করা হয়। উভয় অভিযুক্তের বাড়ি মহিপুর উপজেলার নয়াকাটা গ্রামে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্তদের সঙ্গে ভুক্তভোগী হারিচ আহম্মদ ওরফে মজিবুর (৬৫)-এর দীর্ঘদিনের জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল। গত ১৯ জুলাই সকাল সাড়ে ১০টার দিকে অভিযুক্তরা লাঠি, লোহার রডসহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বৌলতলী মৌজায় ভুক্তভোগীর জমিতে জোরপূর্বক ট্রাক্টর দিয়ে চাষাবাদ শুরু করেন।
বাধা দিতে গেলে অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হারিচ আহম্মদকে মারাত্মক জখম করে ঘটনাস্থলে রেখে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বরগুনার আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক ২০ জুলাই ভোরে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এরপর ভুক্তভোগীর ছেলে বাদী হয়ে মহিপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
র্যাব জানায়, নির্মম এই হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মো. সালেককে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশের এবং মো. ছারোয়ারকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গুলশান থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।