পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মিলি আক্তার মায়া (২৩) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার সকালে উপজেলার মহিপুর থানার লতাচাপলী ইউনিয়নের নাইউরিপাড়া গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। ফেসবুকে পরিচয়ের সূত্র ধরে প্রায় দুই বছর আগে তাদের বিয়ে হয়েছিল। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিহত মিলি আক্তার মায়া চাঁদপুর জেলার খোরশেদ আলমের মেয়ে। তার স্বামী নাঈম (২৫) কলাপাড়ার একই এলাকার বাসিন্দা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে তাদের পরিচয় হয় এবং প্রায় দুই বছর আগে তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। এরপর থেকে তারা দাম্পত্য জীবন যাপন করে আসছিলেন।
রোববার সকালে স্বামী নাঈম নিজ ঘরে মিলিকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে তিনি চিৎকার করলে স্থানীয় লোকজন ছুটে আসেন এবং বিষয়টি মহিপুর থানা পুলিশকে জানান।
খবর পেয়ে মহিপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। পরে সুরতহাল রিপোর্ট শেষে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম আহমেদ বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় মহিপুর থানায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।’
কী কারণে এই ঘটনা ঘটেছে তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। তবে পারিবারিক বা ব্যক্তিগত কোনো বিষয়কে কেন্দ্র করে এটি ঘটতে পারে বলে স্থানীয়রা ধারণা করছেন। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে।