পটুয়াখালীর দুমকিতে ট্রাকভর্তি বিপুল পরিমাণ অবৈধ চিংড়ির রেণু জব্দ করেছে মৎস্য বিভাগ। জব্দ করা ৪৩ ড্রাম রেণু পরে পরিবেশ ও মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণের স্বার্থে পায়রা নদীতে অবমুক্ত করা হয়। বুধবার (১৭ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পায়রা সেতুর টোল প্লাজা এলাকা থেকে স্থানীয়দের সহায়তায় এগুলো জব্দ করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঢাকা মেট্রো-ড ১৪-৪১০৯ নম্বর একটি ট্রাকে বিপুল পরিমাণ চিংড়ির রেণু পরিবহন করা হচ্ছিল। বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ট্রাকটি পায়রা সেতুর টোল প্লাজা এলাকায় পৌঁছালে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। তারা ট্রাকটি আটক করে প্রশাসনকে খবর দেন। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবদুল্লাহ খায়রুল ইসলাম চৌধুরী এবং উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. মাহফুজুর রহমান ঘটনাস্থলে গিয়ে ট্রাকভর্তি ৪৩ ড্রাম রেণু জব্দ করেন। এ সময় রেণু ব্যবসায়ী ও ট্রাকচালক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, জব্দকৃত রেণুর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২০ লাখ টাকা। প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, রেণুগুলো অবৈধভাবে সংগ্রহ ও পরিবহন করা হচ্ছিল।
পরে উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশে মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা জব্দকৃত রেণুগুলো পায়রা সেতু সংলগ্ন পায়রা নদীর উন্মুক্ত জলাশয়ে অবমুক্ত করেন।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান বলেন, “অবৈধভাবে সংগ্রহ ও পরিবহন করা ৪৩ ড্রাম চিংড়ির রেণু জব্দ করা হয়েছে। পরিবেশ ও মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণের স্বার্থে রেণুগুলো নদীতে অবমুক্ত করা হয়েছে। পলাতক ব্যবসায়ী ও চালককে শনাক্তের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।”
স্থানীয়রা অবৈধ রেণু আহরণ ও পরিবহন বন্ধে প্রশাসনের এমন অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখার জোর দাবি জানিয়েছেন।