ভোলায় জাটকা সংরক্ষণ কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করতে ২০২৫–২৬ অর্থবছরের “ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্প (২য় সংশোধিত)” এর আওতায় সাড়ে ১৩ হাজার জেলেকে খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। ইলিশ অভয়াশ্রম এলাকায় নিষিদ্ধকালীন সময়ে মাছ ধরা থেকে বিরত থাকা জেলেদের জন্য এ সহায়তা দেওয়া হয়।
প্রতিজন জেলে পেয়েছেন ১২ কেজি আটা, ৮ কেজি ডাল, ১০ লিটার ভোজ্য তেল, ১৬ কেজি আলু, ৪ কেজি চিনি এবং ৪ কেজি লবণ।
ভোলা সদর উপজেলা মিলনায়তনে আয়োজিত খাদ্যসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে জেলেদের মাঝে উপকরণ বিতরণ করেন জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ডা. শামীম রহমান, মৎস্য অধিদপ্তর বরিশালের পরিচালক মো: কামরুল হাসান, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আরিফুজ্জামান এবং সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ মেহেদি হাসান ভূঁইয়াসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ইলিশ অভয়াশ্রমে মাছ ধরা বন্ধ রাখার ফলে নদীতে ইলিশের উৎপাদন ইতোমধ্যে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে দীর্ঘমেয়াদে জেলেরা আর্থিকভাবে লাভবান হবেন। তারা আরও বলেন, এই কর্মসূচি একদিকে জেলেদের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে, অন্যদিকে ইলিশ সংরক্ষণ কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত সহায়তা এবং কঠোরভাবে নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন করা গেলে দেশের জাতীয় মাছ ইলিশের উৎপাদন আরও বাড়বে এবং উপকূলীয় অঞ্চলের জেলেদের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।