পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় জ্বালানি তেলের সংকটকে কেন্দ্র করে অতিরিক্ত দামে পেট্রোল ও ডিজেল বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও প্রয়োজনীয় তেল না পাওয়ার কথা জানিয়েছেন মোটরসাইকেল চালকেরা। তাদের অভিযোগ, নির্ধারিত মূল্যে তেল না দিয়ে বেশি টাকা দিলে সীমিত পরিমাণে তেল সরবরাহ করা হচ্ছে।
শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার থানাব্রিজ এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে একটি তেলের দোকানে দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। স্থানীয় মেসার্স আলিফ ট্রেডার্সের সামনে অপেক্ষমাণ একাধিক বাইকার জানান, কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষার পরও তারা চাহিদামতো তেল পাচ্ছেন না। ৭ থেকে ৮ লিটার তেলের প্রয়োজন থাকলেও দেওয়া হচ্ছে মাত্র ১ থেকে ২ লিটার। অভিযোগ রয়েছে, এই স্বল্প পরিমাণ তেলও নেওয়া হচ্ছে নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি মূল্যে।
ভুক্তভোগীদের দাবি, চলমান সংকটের কারণে কর্মজীবী মানুষ সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন। অনেকে জরুরি কাজে যাতায়াত করতে না পেরে বিপাকে পড়ছেন।
তবে অতিরিক্ত দামে তেল বিক্রির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আলিফ ট্রেডার্সের মালিক মো. মামুন হোসেন। তিনি বলেন, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। আগে সপ্তাহে প্রায় ১৮০ ব্যারেল তেল পাওয়া গেলেও বর্তমানে তা কমে প্রায় ২০ ব্যারেলে নেমে এসেছে। সীমিত সরবরাহের কারণে বাধ্য হয়ে নির্দিষ্ট পরিমাণে তেল বিতরণ করা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে চলা তেল সংকটের সুযোগ নিয়ে কিছু ব্যবসায়ী অতিরিক্ত মুনাফা করছেন। তারা দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে প্রশাসনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।