দেশে বর্তমানে সরকারি ও বেসরকারি মিলিয়ে ১৩৬টি বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু রয়েছে এবং এসব কেন্দ্রের সম্মিলিত উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় ২৮ হাজার ৯১৯ মেগাওয়াটে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমানের প্রশ্নের জবাবে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এ তথ্য তুলে ধরেন।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, দেশের বিদ্যুৎ খাতে সরকারি, বেসরকারি ও যৌথ বিনিয়োগের মাধ্যমে এই সক্ষমতা গড়ে উঠেছে। বর্তমানে সরকারি মালিকানাধীন বিদ্যুৎকেন্দ্র রয়েছে ৬৪টি, যার উৎপাদন ক্ষমতা ১২ হাজার ৩০২ মেগাওয়াট। বেসরকারি খাতে ৬৯টি কেন্দ্র থেকে উৎপাদন সক্ষমতা ১০ হাজার ৮৫৩ মেগাওয়াট। এছাড়া সরকারি-বেসরকারি যৌথ মালিকানায় ৩টি কেন্দ্র রয়েছে, যেগুলোর মোট উৎপাদন ক্ষমতা ৩ হাজার ৬৮ মেগাওয়াট।
সব মিলিয়ে দেশের মোট স্থাপিত উৎপাদন সক্ষমতা দাঁড়িয়েছে ২৮ হাজার ৯১৯ মেগাওয়াট, যা বিদ্যুৎ খাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সরকারি সূত্রেও দেশে বিদ্যুৎকেন্দ্রের সংখ্যা ১৩৬টির কাছাকাছি এবং উৎপাদন সক্ষমতা ২৮-২৯ হাজার মেগাওয়াটের মধ্যে রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে মন্ত্রী জানান, এই সক্ষমতার পুরোটা প্রতিদিন ব্যবহার করা হয় না। বিদ্যুৎ উৎপাদন নির্ভর করে চাহিদার ওপর। বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে ১৪ হাজার ৫০০ থেকে ১৫ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি পেলেও জ্বালানি সরবরাহ, চাহিদা ব্যবস্থাপনা এবং অব্যবহৃত সক্ষমতা—এই তিনটি বিষয় এখন বিদ্যুৎ খাতের বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে।