ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার শম্ভুপুর ইউনিয়নে বাকপ্রতিবন্ধী যুবক কবির (৩৫) হত্যার ঘটনায় জড়িতদের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এতে শত শত স্থানীয় জনতা অংশগ্রহণ করেন।
কবির হত্যার আট মাস পেরিয়ে গেলেও তার স্বজনরা এখনো বিচার পাননি। বর্তমানে এ হত্যা মামলাটি পিবিআইয়ের তদন্তাধীন রয়েছে বলে জানা গেছে।
সোমবার (২৩ মার্চ) বিকেল ৪টায় উপজেলার শম্ভুপুর ইউনিয়নের বাংলাবাজারে স্থানীয় জনতা ও ব্যবসায়ীরা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেন।
মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা বলেন, কবির হত্যার আট মাস পার হলেও প্রশাসন এখনো কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নিতে পারেনি—এটি প্রশাসনের চরম ব্যর্থতা। কবির একজন বাকপ্রতিবন্ধী ছিলেন; তিনি কখনো কারো সঙ্গে খারাপ আচরণ করেননি। অথচ তাকে হত্যা করে পুকুরে ফেলে রাখা হয়েছে। গত বছরের ২৯ জুলাই হত্যার তিন দিন পর তার লাশ পুকুরে পাওয়া যায়।
বক্তারা আরও বলেন, প্রশাসন এখনো জড়িতদের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। একজন বাকপ্রতিবন্ধী যদি নিরাপদ না থাকে, তবে সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে? কবিরকে গুম করে হত্যার পরও ঘটনাটি স্বাভাবিক মৃত্যু হিসেবে দেখিয়ে প্রশাসন টালবাহানা করছে।
উল্লেখ্য, গত ১ আগস্ট শম্ভুপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে তার নিজ বাড়ির পাশে একটি পরিত্যক্ত পুকুর থেকে ভাসমান অবস্থায় কবিরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার পরিবার দাবি করে, কবিরকে হত্যার পর পানিতে ফেলে রাখা হয়েছিল।