বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর অধ্যাপক মজিবুর রহমান বলেছেন, জাতীয় সংসদে মানুষের তৈরি করা আইন আর চলতে দেওয়া হবে না; ইসলামী আইন কায়েম করতে হবে। বুধবার (৪ জানুয়ারি) বিকেলে ভোলা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
জামায়াত ভোলা জেলা শাখার আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ সভায় দলের মনোনীত চার প্রার্থী উপস্থিত ছিলেন। বক্তব্যে অধ্যাপক মজিবুর রহমান বলেন, স্বাধীনতার পর ৫৪ বছরে বিভিন্ন সময় তিনটি দল রাষ্ট্রক্ষমতায় এলেও জাতীয় সংসদে আল্লাহর আইন পাশ করা হয়নি। তিনি অভিযোগ করেন, যাদেরকে ইতিমধ্যে দেখা হয়েছে, তাদের আর দেখার প্রয়োজন নেই—কারণ তারা দেশকে শান্তি দিতে পারেনি; বরং অশান্তি ও লুটপাট করেছে।
দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের পক্ষে সবাইকে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে কেউ ইচ্ছামতো ইন্টারনেট বন্ধ করতে পারবে না।
জনসভায় তিনি আরও বলেন, ড. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে ন্যায় ও ইনসাফের রাষ্ট্র গঠন করা হবে। ‘হ্যাঁ’ ভোটের মাধ্যমে সরকার গঠন হলে রাষ্ট্র পরিচালনায় জনগণের স্বার্থ অগ্রাধিকার পাবে; আর ‘না’ ভোট দিলে আগের মতো আধিপত্যের চাপে দেশ পরিচালিত হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সাবেক এমপি মজিবুর রহমান বলেন, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের সরকার গঠিত হলে চাঁদার জন্য নির্যাতন, সন্ত্রাস ও ভূমিদস্যুতা বন্ধ হবে। ড. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশকে একটি ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
সদর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় ছাত্রশিবিরের সভাপতি মো. নুরুল ইসলাম সাদ্দাম, কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম চান, ভোলা সদর আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম, ভোলা-২ আসনের প্রার্থী মুফতি ফজলুল করিম, জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা জাকির হোসাইন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের ভিপি রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজসহ অন্যান্যরা।