সরকারি সম্পত্তি তে হস্তক্ষেপ করা এটা দেশের মানুষের সাথে বেইমানি ছাড়া কিছু নয়।ওয়াস ব্লক এর কাজ প্রত্যেক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যত যায়গায় কাজ হচ্ছে সবই দূর্নিতীই ভরা।
সরকার বরাদ্দ করেছেন যা টাকা তা দিয়ে কাজ করেও অবশিষ্ট থাকবে।তাহলে কেন এত দূর্নিতী।
একই কন্ডাকটরকে এত কাজ দেওয়া উচিৎ হয়নি বলে মনে করছেন এলাকার জনগন। জনাব ওমর ফারুক ঝাঝিরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যে ভাবে কাজ করছেন তা একেবারে নিম্নমানের যা ওমর ফারুক সাহেবের মিস্ত্রি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন।
একই ব্যক্তি ওমর ফারুক আবারও মানিকপাটন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কাজ নিয়েছেন যা এক নম্বরের ইট পরিলক্ষিত হয়নি ইট এনেছেন তা দুই নম্বর ও তিন নম্বরের ইট।
এলাকার হৈতসী ব্যক্তি বর্গদের মতে এ ইট গুলো দ্বারা ওয়াস ব্লক এর কাজ করা হলে যে কোন সময় ছাঁদ ঢসে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে তাতে ওমর সাহেবের কিছু যায় আসে না ক্ষতিগ্রস্ত হব আমরাই।কারন এখানে পড়াশুনা করে আমাদেরই সন্তান।
বাচ্চারা ভবিষ্যতে যেন দূর্ঘটনায় স্বীকার না হয় এ কারনে আমরা নিয়ামতপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহোদয়ের দৃষ্টি একান্তভাবে কামনা করছি।আরো মহোদয়ের নিকট প্রার্থনা আপনি দৃষ্টি রাখবেন যেন এ কাজের পুনরাবৃত্তি আর করতে না পরে।
মানিকপাটন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা জনাব মোসাঃ জেসমিন আরা বলেন,আমি যদিও ইট ভালো চিনি না।এ কারনে এলাকার লোকজন কে নিয়ে এসে দেখায় যাদের ইট সম্বন্ধে ধারণা আছে তারা দেখে বলে ইটগুলো অতান্ত নিম্নমানের। তখন আমি নিজে কাজে বাধা প্রদান করি।কিন্তু ওমর সাহেব আমার কোন কথায় পাত্তা দেন না।তাহলে কি ওমর সাহেব রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন?আমি চায় কাজটি সরকারী সিডিউল মোতাবেক হোক এটা শুধু আমার কথা না এটা এলাকার সর্বোসত্তরের জনগনের কথা।
"ঘুমিয়ে শিশুর পিতা সব শিশুর অন্তরে”
এ স্লোগান সত্য জেনে আজ যারা দেশকে শক্ত হাতে পরিচালনা করছেন তারাও একদিন প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষা অর্জন শেষ করেছেন।প্রাথমিক পর্যায়ে শিশুদের জীবনের প্রথম অধ্যায় তাই প্রাথমিক শিক্ষাকে অবশ্যই গুরুত্বের সাথে দেখা দরকার।এ নিম্নমানের কাজের কারনে ঝরে যেতে পারে মেধাবী বহু তাজা প্রান।তাই সবাই চায় সামান্য ভুলের কারনে যেন এ সোনার বাংলাদেশ ভবিষ্যতে মেধাশূন্য না হয়ে যায় মহোদয়ের নিকট আমাদের আকুল আবেদন কাজটি পরিদর্শন মূলক ব্যবস্থা করবেন।